বুধবার, ২৪ Jun ২০২৬, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

‘সীমান্ত চুক্তি মানছে না’ চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
আবার অশান্তির সৃষ্টি করতে চাইছে চীন। বৃহস্পতিবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, বেইজিং চুক্তি না মানায় ভারত-চীন সম্পর্কের ওপর তা প্রভাব ফেলছে। ”গত ৪০ বছর ধরে আমাদের বেইজিংয়ের সাথে খুব স্থিতিশীল সম্পর্ক ছিল। চীন দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

তবে গত এক বছর ধরে এই সম্পর্ক নিয়ে টালমাটাল পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে, কারণ চীন আমাদের সীমান্তে আসার পরে যে চুক্তিগুলি সই করেছিল তা পালন করেনি।” মস্কোয় আয়োজিত ইনস্টিটিউট অব ওয়ার্ল্ড ইকোনমি অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস-এর একটি আলোচনা সভায় একথা বলেন মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। জয়শঙ্কর তিন দিনের সফরে মস্কো পৌঁছেছেন এবং সেদেশের বিদেশমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরোভের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দুই নেতা একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের মার্কিন সেনারা আফগানিস্তান ছাড়ার পর সেখানকার পরিস্থিতি কেমন তা নিয়েও আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে। ভারত-চীন দুই দেশের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্রের লড়াইয়ের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জয়শঙ্কর কার্যত প্রশ্নটি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, চীনের পারমাণবিক কর্মসূচির যে উন্নয়ন হয়েছে তা ভারতের থেকে অনেক বেশি গতিশীল।

তিনি জানান, চীন ১৯৬৪ সালেই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে, সেখানে ভারত পারমাণবিক শক্তিধর হয় ১৯৯৮ সালে। রাশিয়ার সাথে ভারতের সম্পর্কের বিষয়ে জয়শঙ্কর বলেছেন, ”দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক যে স্থিতিশীল রয়েছে এতে কোনো সন্দেহ নেই। জয়শঙ্কর মনে করিয়ে দেন, “রাশিয়ানরা অবশ্যই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, চীন বা জাপান, তুরস্ক এবং ইরানের সাথে তাদের সম্পর্কের উত্থান-পতনের কথা স্মরণ করবে। সেই সঙ্গে ভারতীয়দের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের কথাও মনে করবে।” ভারত-রাশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও নানা সময়ে চড়াই-উতরাই এসেছে। সম্পর্ক খুব বেশি স্থিতিশীল না হয়ে তা যদি একটু চড়াই-উতরাইয়ের মধ্যে দিয়ে যায় সেই সম্পর্ক অনেক বেশি শক্তিশালী হয় বলে মনে করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। মস্কোর পথে যাওয়ার সময়ে ইরান নেতৃত্বের সঙ্গে একপ্রস্থ আলোচনা সারেন এস জয়শঙ্কর। দুজনের মধ্যে আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক ইস্যুতে মতের আদান প্রদান হয় বলে জানা গেছে। পাশাপাশি আফগানিস্তানের ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতিও আলোচনায় প্রাধান্য পেয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়।সূত্র:মানবজমিন।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION